আজ বিকাল ৩:৪৫ মিনিটে অগ্নিহোত্রে মাধ্যমে দেবযজ্ঞ শুরু হয়। আজকে যজমান ও তৎসঙ্গী হিসেবে ছিলেন শ্রী রাজ কুমার, শ্রী অন্তর চন্দ্র দাস, শ্রী সুব্রত ভৌমিক ও শ্রী উৎসব চন্দ্র শীল। পৌরহিত্যে ছিলেন শ্রী দীপংকর সিংহ দীপ।জগদীশ্বর তাদের সর্বাঙ্গীন উন্নতি প্রদান করুন। দেবযজ্ঞ সমাপনের পর ঋগ্বেদ ৫।১।৭, ঈশোপনিষদ্ ১৪তম শ্রুতি ও শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ৬।৫-৬ পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করা হয় ।
এরপর বিকাল ৪:৩০ মিনিটে “বৈদিক জীবনবিধান কী আনন্দহীন? কীভাবে বেদ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেলাম আমরা ও কেন বেদ মানতে অনীহা?” এই বিষয়ে ঐতিহাসিক ও শাস্ত্রীয় আলোচনা হয়। বৈদিক কর্মকাণ্ডের প্রচার ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম দিক সম্পর্কে যদি আলোচনা হয় তবেই কর্মকাণ্ডে উৎসাহ বৃদ্ধি পাবে। বৈদিক কর্ম সম্পূর্ণ ভক্তিভাব ও আনন্দযুক্ত। বেদ বিরোধী গোষ্ঠীদের আনন্দহীনতার আরোপ অযৌক্তিক, পাশাপাশি অবৈদিক কর্মকাণ্ড যথা মদ্যপান, উন্মত্ত গীতবাদ্যকে যদি কেউ আনন্দ বলে ভ্রম করে তবে তা-ও ত্রুটিপূর্ণ বলে সভায় বোধগম্য হয়।
এরপর সন্ধ্যা ৫:৩০ মিনিটে মত বিনিময়, প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। তারপর সন্ধ্যা ৬:২৫ মিনিটে সন্ধ্যোপাসনা এবং সন্ধ্যা ৬:৪৫ মিনিটে যজ্ঞাবশিষ্ট অন্ন ও প্রসাদ বিতরণ করা হয় । আজকের অতিথিযজ্ঞের হোতা ছিলেন প্রকৌশলী শ্রী অমিয়তোষ রায় আকাশ ও তাঁর ধর্মপত্নী ডা. সুস্মিতা সুতার। ঈশ্বর তাদের মঙ্গল করুন।







